ঢাকাTuesday , 28 September 2021
  1. English Content
  2. আন্তজাতিক
  3. ইসলামি শিক্ষা
  4. ইসলামিক নিউজ
  5. করোনাভাইরাস
  6. ক্যাম্পাস
  7. ক্রিকেট
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. চাকরির প্রস্তুতি
  11. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
  12. ডিফেন্স
  13. তথ্য ও প্রযুক্তি
  14. পড়াশোনা
  15. ফুটবল

কলার এত উপকারিতা সম্পর্কে জানেন কি?

Mithu
September 28, 2021 8:13 pm
Link Copied!

 বাংলাদেশে সারা বছর পাওয়া যায় এমন ফলের মধ্যে কলা অন্যতম। ডিম কিংবা দুধের মতো এটিও আমাদের অতি পরিচিত খাবার। সেইসঙ্গে এটি বেশ পুষ্টিকরও। ভিটামিন এ, বি, সি এবং ই সহ পটাশিয়াম, জিংক, আয়রন ইত্যাদির মতো খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ কলা শক্তির বেশ ভালো উৎস। কলার এত উপকারিতা রয়েছে যা অবাক করার মতো। এই ফলের আরও কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে আজ আপনাদের জানাবো-

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে

গবেষণা অনুযায়ী, এই ফলের পটাশিয়াম রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং এটি এর মাত্রা কমাতেও সাহায্য করতে পারে। তাই যারা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন তারা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কলা রাখতে পারেন খাবারের তালিকায়। নিয়মিত কলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে সহজেই।

মস্তিষ্কের শক্তি উন্নত করে

ভিটামিন বি এর একটি ভালো উৎস হলো কলা। এটি স্নায়ুর কার্যক্ষমতা এবং শেখার ক্ষমতা বাড়ায়। তাই বড়দের পাশাপাশি শিশুকেও প্রতিদিন কলা খেতে দেওয়া উচিত। এতে তারা যেকোনো বিষয় খুব সহজেই মনে রাখতে পারবে, ধারালো হবে স্মৃতিশক্তি। কলার মধ্যে থাকা ম্যাগনেসিয়াম মস্তিষ্কের স্নায়ু কোষ গুলিকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া কলা মস্তিষ্কের কোষগুলির জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকে। যেহেতু আমাদের মস্তিষ্ক গ্লুকোজ সংরক্ষণ করতে পারে না, সেহেতু কলা দৈনিক এটি সরবরাহ করে থাকে। কলায় যেহেতু ফাইবার রয়েছে তাই এতে শর্করা ধীরে ধীরে রক্তপ্রবাহকে প্রবাহিত করে এবং শরীরে ধীরে ধীরে কলা গ্লুকোজ সরবরাহ করে থাকে। কলার মধ্যে থাকা পটাসিয়াম মস্তিষ্কের কোষগুলোয় অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখে। এছাড়াও এটি ম্যাঙ্গানিজ সমৃদ্ধ উপাদান হওয়ায় মৃগী এবং পারকিনসন রোগের সমস্যায় সমাধান করে। কলার মধ্যে থাকা সেরোটোনিন এবং মেলাটোনিন স্ট্রেস রিলিফ করতে সহায়তা করে। এছাড়াও কলার মধ্যে থাকা উপাদানগুলি হতাশা এবং মস্তিষ্কের যে কোন ধরনের সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। নিয়মিত কলা খেলে মস্তিষ্কের শক্তি এবং স্নায়ুর কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। এর পাশাপাশি তার ঘনত্ব বেড়ে যায়।

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়

প্রতি বছর স্ট্রোকের কারণে বিশ্বে বহু মানুষ মৃত্যুবরণ করছেন। একটু সচেতন হলেই এই দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব। স্ট্রোক থেকে বাঁচতে খাবার এবং জীবনযাপনে পরিবর্তন আনা জরুরি। এক্ষেত্রে খাবারের তালিকায় যোগ করুন কলা। গবেষণা বলছে, প্রতিদিন একটি কলা খেলে তা স্ট্রোকের মতো দুর্ঘটনা কমাতে সাহায্য করে। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার সমৃদ্ধ তাই কলা খেলে কমে ক্যান্সারের ঝুঁকিও।

হাড় ভালো রাখে

একটু বয়স বাড়লেই হাড়ের নানা সমস্যায় ভুগতে দেখা যায় অনেককে। এই সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে কলা। কলায় উপস্থিত প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ করে। ফলে এটি উন্নত হাড় গঠনে সাহায্য করে। তাই হাড়ের সমস্যা এড়াতে নিয়মিত কলা খাওয়া উচিত।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কলার ভূমিকা

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো কলা। কার্বোহাইড্রেট সম্পন্ন উপাদান হওয়ায় এটি দৈনিক গ্রহণ করা আবশ্যক। কেননা কার্বোহাইড্রেট রক্তে শর্করার মাত্রা কে দ্রুত বাড়াতে সহায়তা করে। আর কলাতে প্রচুর শর্করা রয়েছে। মূলত ৯৩% ক্যালোরি কার্বোহাইড্রেট থেকে পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে। তবে কলাতে শর্করা থাকার পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। এই ফাইবার হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ব্লাড সুগার কে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা কে নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এটি খুব বেশি ক্ষতিকর নয়, কেননা সবুজ কলাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে স্টার্চ। এটি শরীরে ফাইবার এর মত কাজ করে রক্তে শর্করার মাত্রা কে নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও এটি শরীরের পরিপাক ব্যবস্থাকে উন্নত করে রক্তে শর্করার স্পাইক গুলো কে নিয়ন্ত্রণ করে। কলার মধ্যে থাকা ভিটামিন বি সিক্স ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে সহায়তা করে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, কলা প্রতিদিন গ্রহণের ফলে টাইপ টু ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকাকালীন অবস্থায় কলা খেলে সে ক্ষেত্রে শরীরে ফ্রুক্টোজ এর পরিমাণ কম থাকে

হজমশক্তি বাড়ায়

কলায় থাকা প্রাইওবটিকস এনজাইম তৈরিতে সাহায্য করে যা পুষ্টির শোষণকে সক্ষম করে, এভাবে হজম ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের জন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে। কাঁচা কলা ডায়রিয়ার চিকিৎসায়ও কার্যকর। হজমক্ষমতা শক্তিশালী করতে তাই নিয়মিত কলা রাখুন পাতে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

কলায় থাকে পেকটিন যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে এবং অন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করে। যারা এই সমস্যায় ভুগছেন তাদের প্রতিদিন পাকা কলা খাওয়া জরুরি। এতে থাকা ফাইবার পেট পরিষ্কার রাখবে।

কখন কলা খাওয়া বেশি উপকারী?

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মতে, সকালে নাস্তায় কলা রাখার। সকালে শরীরচর্চার পর একটি কলা খেলে নিলে দ্রুত শক্তি ফিরে আসে। সকালে টোস্ট কিংবা ডিমের সঙ্গে কলা খেলে তা পুষ্টি যোগানোর পাশাপাশি দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে। কলা সব সময় হেলদি ফ্যাটের সঙ্গে খাওয়া ভালো। হতে পারে তা পিনাট বাটার, ইয়োগার্ট কিংবা পরিজ। তবে ভারী খাবারের সঙ্গে কলা না খাওয়াই ভালো।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।