
লোককাহিনী বলতে কী বুঝ?
বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় অংশ হলো লোককাহিনী। সাধারণভাবে মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত যে গল্প বা কাহিনী প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ে তাকে লোককাহিনী বলা হয়। গদ্যের মাধ্যমে এসব কাহিনী বর্ণিত হয় এবং মানুষের কল্পনা, অভিজ্ঞতা ও জীবনযাত্রার নানা ঘটনার প্রতিফলন এতে দেখা যায়।
লোককাহিনীর নির্দিষ্ট কোনো ভৌগোলিক সীমা নেই। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই লোককাহিনীর প্রচলন রয়েছে এবং অনেক সময় বিভিন্ন দেশের কাহিনীর মধ্যে বিস্ময়কর মিল লক্ষ্য করা যায়। মানুষের জীবনধারা, বিশ্বাস ও কল্পনার মিল থাকার কারণেই এ ধরনের সাদৃশ্য দেখা যায়। লোককাহিনীর বিষয়বস্তু ও উপাদানও বিভিন্ন রকম হতে পারে।
লোককাহিনীকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। আশুতোষ ভট্টাচার্যের মতে লোককাহিনীর শ্রেণিবিন্যাস হলো—
১. রূপকথা,
২. কিংবদন্তি,
৩. পুরাকথা,
৪. উপকথা,
৫. রোমাঞ্চমূলক প্রণয়োপাখ্যান,
৬. নীতিকথা,
৭. ব্রতকথা,
৮. ব্যঙ্গরসাত্মক হাস্যরসাত্মক।
লোককাহিনীর উদাহরণ :
ক. রানি হইল দাসী আর দাসী হইল রানি-কি কর্ম দোষে কাজল রেখা জন্ম অভাগিনী।
খ. আমার কথাটি ফুরাল নটে গাছটি মুড়াল।