আজকের আর্টিকেলে আমি “নিজের বিদায় অনুষ্ঠানের জন্য বক্তব্য” লেখেছি যেটা আপনারা আপনাদের বিদায় অনুষ্ঠানে ব্যাবহার করতে পারবেন। আপনি যদি আপনার কর্মস্থল থেকে বিদায় নেন তাহলে নিচে দেওয়া বক্তব্যের সামান্য কিছু কথা পরিবর্তন করে ব্যাবহার করবেন, একই ভাবে যারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বিদায় নিবেন তাদেরও সামান্য কিছু কথা পরিবর্তন করতে হবে। নিচে “নিজের বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য” উপস্থাপন করা হলো:
Table of Contents
নিজের বিদায় অনুষ্ঠানের বক্তব্য
সন্মানিত উপস্থিত সকলকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা জানিয়ে আজকের এই বিদায় অনুষ্ঠানে আমার কিছু কথা বলার সুযোগ দেওয়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।
আজকের দিনটি আমার জীবনের এক বিশেষ দিন, কারণ দীর্ঘ সময় ধরে আমি যে প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলাম, আজ সেই স্থান থেকে বিদায় নিচ্ছি। এই মুহূর্তটি আমার জন্য যেমন আনন্দের, তেমনি আবেগের। আনন্দ এই কারণে যে, আমি আমার দায়িত্ব ও কর্মজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সফলতার সাথে সম্পন্ন করতে পেরেছি, আবার আবেগের কারণ হলো, এখানকার সহকর্মী/শিক্ষক/ছাত্রছাত্রী বা বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে কাটানো অসংখ্য স্মৃতি আমাকে আজীবন মনে করিয়ে দেবে এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমার ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা।
আমি প্রথম যখন এখানে যোগদান করেছিলাম, তখন অনেক কিছু শেখার ছিল। সবাই আমাকে যেভাবে সহযোগিতা করেছেন, তা আমি কখনো ভুলব না। কাজের প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মুহূর্তে সহকর্মীদের সহায়তা/বন্ধুদের সান্নিধ্য/শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা আমাকে সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে।
এখানে কাটানো দিনগুলো শুধু পেশাগত জীবনের জন্য নয়, ব্যক্তিগত উন্নতির জন্যও ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি এখান থেকে শিখেছি কিভাবে দলগতভাবে কাজ করতে হয়, কিভাবে একজন ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে হয়।
আজ আমি যখন বিদায় নিচ্ছি, তখন আমার হৃদয়ে কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা কাজ করছে। আমি জানি, সামনে হয়তো আরও অনেক নতুন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে, কিন্তু এখানকার শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা আমাকে সেই পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।
আমি আমার সকল সহকর্মী, শিক্ষকমণ্ডলী, বন্ধুবান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আপনাদের সহযোগিতা, ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য আমি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব।
আমি আশাকরি, আমাদের সম্পর্ক শুধু এই বিদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং ভবিষ্যতেও আমরা যোগাযোগ রাখব। আপনাদের সকলের জন্য শুভকামনা রইল।
ধন্যবাদ।